মধ্যযুগ

Correct :

Wrong :

  • 1. শৃঙ্গার রসকে বৈষ্ণব পদাবলিতে কী রস বলে?
  • ভরতের নাট্যশাস্ত্র বিচারে রস ৮ প্রকার। এগুলো হলো−শৃঙ্গার, হাস্য, করুণ, রৌদ্র, বীর, ভয়ানক, বীভৎস ও অদ্ভুত।  নাট্যশাস্ত্রের শান্তরসকে করুণ রসের অন্তর্গত বিষয় হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
    কাব্যশাস্ত্রে রস ৯ প্রকার। এগুলো হলো−শৃঙ্গার, বীর, করুণ, অদ্ভুত, হাস্য,  ভয়ানক, বীভৎস, রৌদ্র ও শান্ত। কেউ কেউ এর সাথে বাৎসল্য নামক একটি অতিরিক্ত রসের কথা বলে থাকেন। এই অতিরিক্ত প্রকরণ যুক্ত করলে রসের সংখ্যা দাঁড়ায় ১০টি।

    কাব্যশাস্ত্রের ১০টি রস

    ১. শৃঙ্গার: শৃঙ্গ শব্দের অর্থ হলো কামদেব। শৃঙ্গের আর (আগমন) হয় যাতে, তাই শৃঙ্গার। এর অপর নাম আদিরস। নরনারীর দৈহিক সম্ভোগের ইচ্ছায় যে অনুরাগের সৃষ্টি হয়, তাকেই শৃঙ্গার বলা হয়। প্রেমপ্রকাশ কাব্যে এই রসের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
    ২. বীর: দয়া, ধর্ম, দান এবং যুদ্ধের নিমিত্তে এই রসের উদ্ভব হয়। এর প্রত্যেকটির ভিতরে জয় লাভের ভাব থাকে। যার দ্বারা প্রতিকুল পরিবেশকে পরাজিত করে জয়ী হওয়ার উদ্দীপনা প্রকাশ করা হয়। একই সাথে এতে থাকে বীরোচিত প্রতীজ্ঞা।  ভায়নক, শান্ত রস বিরোধী। 
    ৩. করুণ: আকাঙ্ক্ষা নষ্ট হলে, অকল্যাণ হলে, প্রিয়জন বিয়োগ ইত্যাদিতে এই রসের সৃষ্টি হয়। মূলত শোকের ভাব এতে প্রকাশ পায়। শৃঙ্গার এবং হাস্যরস এর বিরোধী। 
    ৪. রৌদ্র: ক্রোধ রস থেকে এই রস উৎপন্ন হয়। ক্রোধের উগ্রতা এবং ভয়ঙ্কর রূপ হলো এই রস। এই কারণে ক্রোধকে এর স্থায়ীভাব হিসেবে উল্লেখ করা হয়। অলঙ্কার শাস্ত্রে একে রক্তবর্ণ ও রুদ্রদৈবত নামে অভিহিত করা হয়েছে।
    ৫. অদ্ভুত: আশ্চর্যজনক কোনো বিষয় থেকে উদ্ভুত বিস্ময়কর ভাবই হলো অদ্ভুত রস। সাধারণ অলৌকিক কোনো বিষয়কে এই রসকে উজ্জীবিত করা হয়। [বিস্তারিত: অদ্ভুতরস]
    ৬. ভয়ানক: ভয় থেকে এই রসের উদ্ভব। বিপদজনক বা ভীতিপ্রত কোনো বিষয় থেকে মনে যে ভাবের সঞ্চার হয়, প্রকাশই ভয়ানক।
    ৭. বীভৎস: কোনো কুৎসিৎ বিষয়ের প্রতি ঘৃণা থেকে বিভৎস রসের সৃষ্টি হয়।
    ৮. হাস্য:  কৌতুকজনক বাক্য বা আচরণ থেকে এই রসের উদ্ভব হয়।
    ৯. শান্ত: চিত্তকে প্রশান্ত দেয় এমন ভাব থেকে শান্ত রসের উদ্ভব হয়।
    ১০.বাৎসল্য: সন্তানের প্রতি স্নেহের যে ভাবের উদ্ভব ঘটে, তাই বাৎসল্য রস

  • 2. মধ্যযুগের শেষ কৰি ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
  • ∎ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর:

    ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর (১৭১২ – ১৭৬০) অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও মঙ্গলকাব্যের সর্বশেষ শক্তিমান কবি। নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় অন্নদামঙ্গল কাব্যের স্বীকৃতিতে তাঁকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধিতে ভূষিত করেন। অন্নদামঙ্গল ও এই কাব্যের দ্বিতীয় অংশ বিদ্যাসুন্দর তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি। সংস্কৃত, আরবি, ফার্সি ও হিন্দুস্তানি ভাষার মিশ্রণে আশ্চর্য নতুন এক বাগভঙ্গি ও প্রাচীন সংস্কৃত ছন্দের অনুকরণে বাংলা কবিতায় নিপুণ ছন্দপ্রয়োগ ছিল তাঁর কাব্যের বৈশিষ্ট্য। তাঁর কাব্যের অনেক পঙক্তি আজও বাংলা ভাষায় প্রবচনতুল্য। যথাযথভাবেই রবীন্দ্রনাথ তাঁর কাব্যকে তুলনা করেন “রাজকণ্ঠের মণিমালা”র সঙ্গে। তার আর একটি বিখ্যাত কাব্য সত্য পীরের পাঁচালি। তার মৃত্যুর সাথে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সমাপ্তি হয়।

  • 3. মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে কোন ধর্মপ্রচারক-এর প্রভাব অপরিসীম?
  • ∎চৈতন্য মহাপ্রভু (১৪৮৬ – ১৫৩৪) ছিলেন একজন হিন্দু সন্ন্যাসী এবং ষোড়শ শতাব্দীর বিশিষ্ট বাঙালি ধর্ম ও সমাজ সংস্কারক। তিনি অধুনা পশ্চিমবঙ্গের নদিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। গৌড়ীয় বৈষ্ণবগণ তাকে শ্রীকৃষ্ণের পূর্ণাবতার মনে করেন। শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য ছিলেন ভাগবত পুরাণ ও ভগবদ্গীতা-য় উল্লিখিত দর্শনের ভিত্তিতে সৃষ্ট বৈষ্ণব ভক্তিযোগ মতবাদের একজন বিশিষ্ট প্রবক্তা। তিনি বিশেষত রাধা ও কৃষ্ণ রূপে ঈশ্বরের পূজা প্রচার করেন এবং হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্রটি জনপ্রিয় করে তোলেন। সংস্কৃত ভাষায় শিক্ষাষ্টক নামক প্রসিদ্ধ স্তোত্রটিও তারই রচনা। গৌড়ীয় বৈষ্ণব মতানুসারে, ভাগবত পুরাণের শেষের দিকের শ্লোকগুলিতে রাধারানির ভাবকান্তি সংবলিত শ্রীকৃষ্ণের চৈতন্য রূপে অবতার গ্রহণের কথা বর্ণিত হয়েছে।

  • 4. বাংলা (দেশ ও ভাষা) নামের উৎপত্তির বিষয়টি কোন গ্রন্থে সর্বাধিক উল্লেখিত হয়েছে?
  • ∎আইন-ই-আকবরি খ্রিষ্টীয় ষোড়শ শতাব্দীতে রচিত সম্রাট আকবরের প্রশাসনের বিস্তারিত বর্ণনাসমৃদ্ধ একটি নথি। এই গ্রন্থের রচয়িতা ছিলেন আকবরের প্রধানমন্ত্রী আবুল ফজল।

    ∎আইন-ই-আকবরি পাঁচটি ভাগে বিভক্ত। প্রথম ভাগে রয়েছে সম্রাটের গৃহস্থালীর বিবরণী; দ্বিতীয় ভাগে রয়েছে সম্রাটের সেবক, সেনাবাহিনী ও রাজকর্মচারীদের কথা; তৃতীয় ভাগে রয়েছে সাম্রাজ্যের প্রশাসন, বিচারবিভাগীয় নির্দেশিকা ও কার্যনির্বাহী দপ্তরগুলির বর্ণনা; চতুর্থ ভাগে রয়েছে হিন্দু দর্শন, বিজ্ঞান, সামাজিক রীতিনীতি ও সাহিত্য সংক্রান্ত তথ্যাবলি; পঞ্চম ভাগে রয়েছে আকবরের বচনাবলি এবং লেখকের সংক্ষিপ্ত বংশাবলি তথ্য ও জীবনী।

  • 5. চৈতন্যদেব ছিলেন-  
  • চৈতন্য মহাপ্রভু (১৪৮৬ – ১৫৩৪) ছিলেন একজন হিন্দু সন্ন্যাসী এবং ষোড়শ শতাব্দীর বিশিষ্ট বাঙালি ধর্ম ও সমাজ সংস্কারক। তিনি অধুনা পশ্চিমবঙ্গের নদিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। গৌড়ীয় বৈষ্ণবগণ তাঁকে শ্রীকৃষ্ণের পূর্ণাবতার মনে করেন।শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য ছিলেন ভাগবত পুরাণ ও ভগবদ্গীতা-য় উল্লিখিত দর্শনের ভিত্তিতে সৃষ্ট বৈষ্ণব ভক্তিযোগ মতবাদের একজন বিশিষ্ট প্রবক্তা। তিনি বিশেষত রাধা ও কৃষ্ণ রূপে ঈশ্বরের পূজা প্রচার করেন এবং হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্রটি জনপ্রিয় করে তোলেন। সংস্কৃত ভাষায় শিক্ষাষ্টক নামক প্রসিদ্ধ স্তোত্রটিও তাঁরই রচনা। গৌড়ীয় বৈষ্ণব মতানুসারে, ভাগবত পুরাণের শেষের দিকের শ্লোকগুলিতে রাধারানির ভাবকান্তি সংবলিত শ্রীকৃষ্ণের চৈতন্য রূপে অবতার গ্রহণের কথা বর্ণিত হয়েছে।

  • 6. চৈতন্য জীবনী কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি কে?  
  • কৃষ্ণদাস কবিরাজ ষোল শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বৃন্দাবনবাসী এক বৈষ্ণব ভক্ত এবং কৃষ্ণ চৈতন্যের (১৪৭৮-১৫৩৩) সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত গ্রন্থ  চৈতন্য চরিতামৃত-এর রচয়িতা হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। চৈতন্য চরিতামৃত বাংলা ও সংস্কৃতের মিশ্রণে রচিত প্রায় ২৪,০০০ (চবিবশ হাজার) চরণ বিশিষ্ট একটি জীবনী গ্রন্থ ও ধর্মতাত্ত্বিক পুথি। কৃষ্ণদাস ব্রজে রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা কীর্তন করে নান্দনিক পরিশীলিত সংস্কৃত কাব্য গোবিন্দলীলামৃতও রচনা করেন এবং তিনি বিল্বমঙ্গলের কৃষ্ণ কর্ণামৃতের সংস্কৃত ভাষ্যও প্রণয়ন করেন। তিনি কৃষ্ণবিষয়ক অসংখ্য ছোট কীর্তন পদেরও রচয়িতা।

  • 7. বেহুলা চরিত্রটি কোন মঙ্গলকাব্যের সম্পদ?
  • মনসামঙ্গল কাব্যের মূল আখ্যানবস্তুটি হল চম্পক নগরের অধীশ্বর বণিক চাঁদ সদাগর।জগতপিতা শিবের মহাভক্ত। চাঁদ জগতপিতা শিবের থেকে মহাজ্ঞান লাভ করেছেন। মানুষের পূজা ব্যতীত দেবত্ব অর্জন সম্ভব নয়;তাই মনসা চাঁদের কাছে পূজা চাইলেন।শিবভিন্ন অপর কাউকে পূজা করতে চাঁদ প্রত্যাখ্যান করলেন। এমনকী পত্নী সনকার মনসার ঘটে হেঁতালদন্ডের বাড়ি মারেন। পরিণামে মনসা কৌশলে চাঁদের মহাজ্ঞান হরণ করেন এবং ছয়পুত্রকে বিষ দিয়ে হত্যা করেন।তারপর সমুদ্রপথে চাঁদের বাণিজ্যতরী সপ্তডিঙা মধুকর ডুবিয়ে চাঁদকে সর্বস্বান্ত করেন।চাঁদ কোনক্রমে প্রাণরক্ষা করেন। মনসা ছলনা করে স্বর্গের নর্তকদম্পতি অনিরুদ্ধ-ঊষাকে মর্ত্যে পাঠালেন। অনিরুদ্ধ চাঁদের ঘরে জন্মাল লখিন্দর রূপে, আর উজানী শহরে সাধু-বণিকের ঘরে বেহুলা রুপে ঊষা জন্ম নিল। বহুকাল পর চাঁদ সহায়-সম্বলহীনভাবে চম্পক নগরে উন্মত্ত পাগল বেশে করিল গমন।অবশেষে পিতা-পুত্রের মিলন ঘটল। বেহুলার সাথে লখিন্দরের বিবাহ স্থির হল ।মনসা বৃদ্ধাবেশে এসে ছল করে বেহুলাকে শাপ দিল, বিভা রাতে খাইবা ভাতার। সাতালি পর্বতে লোহার বাসরঘর বানান হল।কিন্তু গোপনে মনসার নির্দেশে একটি ছিদ্র রাখা হল।ছিদ্র পথে কালনাগিনী ঢু

  • 8. ব্রজবুলি- তে কোন কবি পদাবলি রচনা করেন?
  • বিদ্যাপতি পঞ্চদশ শতকের মৈথিল কবি। বঙ্গদেশে তাঁর প্রচলিত পদাবলীর ভাষা ব্রজবুলি। কথিত আছে যে পরমপুরুষ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু প্রতিদিন তাঁর রচিত পদ গাইতে ভালবাসতেন। বাঙালিরা চর্যাগীতির ভাষা থেকে এই ব্রজবুলীকে অনেক সহজে বুঝতে পারেন। এই কারণেই বিদ্যাপতিকে বাঙালি কবিদের অন্যতম হিসেবে গণ্য করা হয়। বিদ্যাপতিকে কোন কোন কবি দেহবাদি কবি বলে আখ্যায়িত করেছেন।

  • 9. ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ শীর্ষক কাব্যগ্রন্থ কে আবিস্কার করেন?
  • বসন্তরঞ্জন রায় (জন্ম: ১৮৬৫ - মৃত্যু: ৯ নভেম্বর ১৯৫২) (ইংরেজি: Basanaranjan Roy) একজন বাঙালি প্রত্নতত্ত্ববিদ, ভাষাতাত্ত্বিক এবং গবেষক ।
    বসন্তরঞ্জন রায় বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন । তাঁর বাবার নাম রামনারায়ন রায় । তিনি পুরুলিয়া জেলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন । তিনি বহু গ্রামে পুঁথির সন্ধান করে সারা জীবনে প্রায় ৮০০ পুঁথি সংগ্রহ করেছিলেন এবং সেগুলি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদকে দান করেছিলেন । তিনি বিষ্ণুপুরের কাছে কাঁকিল্যা গ্রামে ১৩১৬ বঙ্গাব্দে বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুঁথি আবিষ্কার করেন । এটি ছিল তাঁর জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি ।১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে তিনি বেঙ্গল অ্যাকাডেমি অফ লিটারেচারের সদস্য ছিলেন । পরে এই সংস্থার নাম সাহিত্য পরিষদ হলে প্রথম থেকেই তিনি এর সদস্য হন । কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগ খোলা হলে স্যার আশুতোষ তাঁকে অধ্যাপক মনোনীত করেন । ১৯১৯ থেকে ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি অধ্যাপনা করেন এবং এরপর সাহিত্য পরিষদের কাজে আত্মনিয়োগ করেন । তিনি নবদ্বীপের চতুষ্পাঠী থেকে বিদ্বদ্বল্লভ উপাধি পেয়েছিলেন

  • 10. বিপ্রদাস পিপিলাই রচিত মনসা বিজয় কাব্যে কয়টি পালা পাওয়া গেছে?
  • 11. দ্রোপদী কে?
  • ∎ভারতে পাঁচ ভাইয়ের একক স্ত্রী নাম--দ্রোপদী।

  • 12. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিস্কর্তা      
  • বসন্তরঞ্জন রায় (জন্ম: ১৮৬৫ - মৃত্যু: ৯ নভেম্বর ১৯৫২) (ইংরেজি: Basanaranjan Roy) একজন বাঙালি প্রত্নতত্ত্ববিদ, ভাষাতাত্ত্বিক এবং গবেষক ।বসন্তরঞ্জন রায় বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন । তাঁর বাবার নাম রামনারায়ন রায় । তিনি পুরুলিয়া জেলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন । তিনি বহু গ্রামে পুঁথির সন্ধান করে সারা জীবনে প্রায় ৮০০ পুঁথি সংগ্রহ করেছিলেন এবং সেগুলি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদকে দান করেছিলেন । তিনি বিষ্ণুপুরের কাছে কাঁকিল্যা গ্রামে ১৩১৬ বঙ্গাব্দে বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুঁথি আবিষ্কার করেন । এটি ছিল তাঁর জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি । ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে তিনি বেঙ্গল অ্যাকাডেমি অফ লিটারেচারের সদস্য ছিলেন । পরে এই সংস্থার নাম সাহ

  • 13. দৌলত উজির বাহরাম খানের জন্মস্থান—      
  • দৌলত উজির বাহরাম খান (আনুমানিক ১৬শ শতক) মধ্যযুগীয় বাংলা কবি। তার প্রকৃত নাম ছিল আসা উদ্দীন। জন্ম চট্টগ্রাম জেলার ফতেয়াবাদ কিংবা জাফরাবাদে। তাঁর পিতা মোবারক খান ছিলেন চট্টলাধীপতির উজির (মন্ত্রী)। তাঁর প্রসিদ্ধ সাহিত্যকর্ম হচ্ছে লায়লী-মজনু এবং ইমাম বিজয়।

  • 14. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ খোলা হয়-
  • 15. 'মহুয়া’ পালাটির রচয়িতা?
  • কবি দ্বিজ কানাই ৩০০ বছর পূর্বে 'মহুয়া সুন্দরী' নামে এই পালাগানটি রচনা করেন, যা আমাদের অনেকের কাছে 'নদের চাঁদ ও মহুয়া'র পালা বা গাথা নামে পরিচিত। 

  • 16. ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর কোন রাজসভার কবি?  
  • রায়গুনাকর ভারতচন্দ্র আঠারো শতকের বাঙালি কবি। তাঁর জন্ম আনুমানিক ১৭১২ সালে, বর্ধমানের পাণ্ডুয়া গ্রামে। পিতার নাম নরেন্দ্রনারায়ণ রায়। তিনি ছিলেন নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভার সভাকবি। রাজা তাঁকে ‘রায়গুনাকর’ উপাধি প্রদান করেন। তাঁর বিখ্যাত কাব্যের নাম অন্নদামঙ্গল কাব্য। এর তিনটি ভাগ হলঃ ‘অন্নদামঙ্গল’, ‘বিদ্যাসুন্দর’ এবং ‘ভবানন্দ-মানসিংহ কাহিনী’। বাংলা ভাষার বেশকিছু প্রচলিত বাক্য বা প্রবাদ ভারতচন্দ্রের রচনা। যেমনঃ আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে, মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন, নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায় প্রভৃতি।

  • 17.  রূপ লাগি আঁখি ঝুর গুনে মন ভোর’‍‍‍‍ কার রচনা?  
  • 18. শাহনামা মৌলিক গ্রন্থটি কার?
  • শাহনামা অথবা শাহ্-নামা (ফার্সি: شاهنامه Šāhnāmeh, "রাজাদের বই") পরস্যের (বর্তমান ইরান) কবি ফেরদৌসী দ্বারা লিখিত একটি দীর্ঘ মহাকাব্য। এটি একই সাথে ইরানের ও সারা বিশ্বের ফার্সি ভাষাভাষী লোকদের জন্য জাতীয় মহাকাব্য। ফেরদৌসী ৯৭৭ থেকে ১০১০ সালের মধ্যে ৩০ বছরের অধিক সময় ধরে এই মহাকাব্য রচনা করেন। শাহনামায় প্রায় ষাট হাজার শ্লোক রয়েছে।ইরানের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে তুলে আনা হয়েছে এই মহাকাব্যে। শহনামাতে মূলত ইরানে ইসলাম পূর্ব ও সপ্তম শতাব্দীতে ইসলাম শাষন ব্যাবস্থা চালু হওয়ার পরের কাহিনী বর্নিত হয়েছে। এ কাহিনীতে রাজাদের গুনগান ও পরবর্তীতে কবির নিজের অনুভুতির বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। বর্তমানে ইরান, তার পার্শবর্তী ফার্সি ভাষায় কথা বলা আফগানিস্তান ও তাজাকিস্তানের লোকদের কাছে শাহনামা তাদের সাহিত্যের ধারক।

  • 19. Ballad কি?      
  • 20. বাংলা লিপির উৎস কি?
  • 21. আমীর হামজা কাব্য রচনা করেন কে? 
  • ফকির গরীবুল্লাহ এদেশের অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন সাহিত্যিক। ফকির গরীবুল্লাহ হুগলি জেলার (তখনকার বর্ধমান এর অংশ) বালিয়া পরগনার হাফিজপুর গ্রামের অধিবাসী। গরীবুল্লাহ সম্পর্কে তেমন তথ্য পাওয়া যায় না। তাঁর পিতার নাম শাহ্ দুন্দীর (সাহা দুন্দি)।

  • 22. আমীর হামজা কাব্য রচনা করেন কে? 
  • 23. বাংলা ভাষার মধ্যযুগের বিস্তৃতিকাল কত?
  • 24. চাঁদ সওদাগর কোন মঙ্গলকাব্যর নায়ক?
  • চাঁদ সদাগর মনসামঙ্গল কাব্যধারার একটি কিংবদন্তি চরিত্র। তিনি ছিলেন প্রাচীন ভারতের চম্পক নগরের একজন ধনী ও ক্ষমতাশালী বণিক।বিপ্রদাস পিপলাই তাঁর মনসামঙ্গল কাব্যে উল্লেখ করেছেন যে, চাঁদ সদাগরের বাণিজ্যতরী সপ্তগ্রাম ও গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতী নদীর মিলনস্থলে অবস্থিত ত্রিবেণী হয়ে সমুদ্রের পথে যাত্রা করত।চাঁদ সদাগরের উপাখ্যানের সঙ্গে সর্পদেবী মনসার পূজা প্রচারের কাহিনিটি জড়িত।

  • 25. আরাকান রাজসভার কবি কে?
  • 26. আলাওল কোন রাজসভার কবি ছিলেন?  
  • আলাওল মধ্যযুগের একজন বাঙালি কবি। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে ধর্মীয় বিষয়বস্তুর গতানুগতিক পরিসীমায় রোমান্টিক প্রণয়কাব্যধারা প্রবর্তনকারী হিসাবে মুসলমান কবিগণের অবদান সর্বজনস্বীকৃত। এ সময়ে তারা আরবি ফার্সি ও হিন্দি সাহিত্যের বিষয়বস্তু ও ভাববৈচিত্র্য অবলম্বনে কাব্য রচনায় এক নবযুগ সৃষ্টি করেন। এপর্যায়ের কবিগণের মধ্যে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের বিচারে কবি আলাওলকে সর্বোচ্চ স্থান দেওয়া হয়।আলাওল আরাকান রাজসভার অন্যতম কবি হিসাবে আবির্ভূত হলেও মধ্যযুগের সমগ্র বাঙালি কবির মধ্যে 'শিরোমণি আলাওল' রূপে শীর্ষস্থান অধিকারী। আরবি, ফার্সি ,হিন্দি ও সংস্কৃত ভাষায় তিনি সুপন্ডিত ছিলেন। ব্রজবুলি ও মঘী ভাষাও তার আয়ত্তে ছিল। প্রাকৃতপৈঙ্গল, যোগশাস্ত্র, কামশাস্ত্র, অধ্যাত্মবিদ্যা, ইসলাম ও হিন্দু ধর্মশাস্ত্র-ক্রিয়াপদ্ধতি, যুদ্ধবিদ্যা, নৌকা ও অশ্ব চালনা প্রভৃতিতে বিশেষ পারদর্শী হয়ে আলাওল মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য প্রতিভার পরিচয় দিয়েছন।

  • 27. মধ্যযুগের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মুসলমান কবি কে?  
  • 28. হিন্দী ‘পদুমাবৎ’ এর অবলম্বনে ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের রচিয়তা --
  • পদ্মাবতী মধ্যযুগের বাঙালি কবি আলাওলের একটি কাব্য। এটিকে আলাওলের শ্রেষ্ঠ কাজ বলে গণ্য করা হয়।বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি ঊজ্জ্বল নিদর্শন আলাওলের অনুবাদ কাব্যগ্রন্থ ‘পদ্মাবতী’। মালিক মুহম্মদ জায়সী এর ‘পদুমাবৎ’ কাব্যের অনুবাদ এটি। জায়সী তাঁর কাব্য রচনা করেন ১৫৪০ খ্রিস্টাব্দে। প্রায় ১০০ বছর পর আরাকানের বৌদ্ধ রাজার অমাত্য মাগন ঠাকুরের নির্দেশে আলাওল ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দে পদ্মাবতী রচনা করেন।

  • 29. মধ্যযুগের কবি নন কে?
  • 30. বটতলার পুঁথি বলতে বুঝায়-
  • অষ্টাদশ শতকের ‍দ্বিতীয়ার্ধে আরবি-ফারসি শব্দ মিশ্রিত কাব্যকে বলে- ‘দোভাষী পুঁথি’।
    * পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি- ফকির গরীবুল্লাহ।
    * পুঁথি সাহিত্যের ভাষার বৈশিষ্ট্য- ইসলামী চেতনা সম্পৃক্ত।
    * দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্যকে বলা হয়- বটতলার পুঁথি।

  • 31. 'পরাগলী মহাভারত' খ্যাত গ্রন্থের অনুবাদকের নাম কী ?
  • কবীন্দ্র পরমেশ্বর মধ্যযুগীয় (১৬শ শতাব্দী) বাঙালি কবি। তিনিই সর্প্রবথম বাংলা ভাষায় সংস্কৃত মহাকাব্য মহাভারত অনুবাদ করেন। তিনি হোসেন শাহের সেনাপতি ও চট্টগ্রামের শাসনকর্তা পরাগল খাঁ-র সভাকবি ছিলেন।পরমেশ্বর চট্টগ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।পরাগল খাঁ'র আদেশে কবিন্দ্র পাণ্ডববিজয় বা পরাগলী মহাভারত রচনা করেন। এই গ্রন্থের বহু অনুকরণ আছে। কিন্তু মূল পাণ্ডববিজয় বা পরাগলী মহাভারত গ্রন্থ এখনও অপ্রকাশিত অবস্থায় রয়েছে।

  • 32. 'পরাগলী মহাভারত' খ্যাত গ্রন্থের অনুবাদকের নাম কী?
  • কবীন্দ্র পরমেশ্বর মধ্যযুগীয় (১৬শ শতাব্দী) বাঙালি কবি। তিনিই সর্প্রবথম বাংলা ভাষায় সংস্কৃত মহাকাব্য মহাভারত অনুবাদ করেন। তিনি হোসেন শাহের সেনাপতি ও চট্টগ্রামের শাসনকর্তা পরাগল খাঁ-র সভাকবি ছিলেন।

    ষোড়শ শতাব্দীতে গৌড়ের সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের "লস্কর" (সেনাপতি) পরাগল খাঁ চট্টগ্রাম অধিকার করেন। গৌড়েশ্বর তাঁকেই চট্টগ্রামের শাসনকর্তা নিযুক্ত করেন। পরাগল খাঁ ছিলেন বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তি। তিনি হিন্দু পুরাণের কাহিনী লোকমুখে শুনে উৎসাহিত হয়ে পরমেশ্বরকে এক দিনের মধ্যে শোনার উপযোগী করে বাংলায় মহাভারত রচনা করার নির্দেশ দেন। মূল মহাভারতের মোট শ্লোক সংখ্যা এক লক্ষ, তা এক দিনে শোনা কার্যত অসম্ভব। তাই তাঁর উপরোধে পরমেশ্বর উক্ত মহাকাব্যের কাহিনী সংক্ষেপ করে পাণ্ডববিজয় কাব্য রচনা করেন। পরাগল খাঁর নির্দেশে লিখিত বলে এই কাব্যের অপর নাম হয় পরাগলী মহাভারত। কাব্য লিখে পরমেশ্বর পরাগল খাঁ-র কাছ থেকে "কবীন্দ্র" উপাধি পান। 

  • 33. নিচের কোনটি মধ্যযুগের কাব্যের প্রধান একটি ধারা ?
  • বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ ছিল ধর্মকেন্দ্রিক।অর্থাৎ ধর্মীয় আবেশে মধ্যযুগে সাহিত্য রচনা হত।
    ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ হিসেবে ধরা হয়। ১২০৪ সালে ইখতিয়ার উদ্দীন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজি কতৃক নদীয়া বিজয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের গোড়াপত্তন হয়।

    আবার মুধ্যযুগের ১২০১-১৩৫০ সাল পর্যন্ত সময়কে ভাষাবিজ্ঞানীরা অন্ধকার হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।কারন এ যুগে রামাই “পণ্ডিত কতৃক” ‘শূন্যপুরাণ’ এবং হলায়ুধ মিশ্র কতৃক “সেক শুভোদয়া” ছাড়া তেমন কোন প্রধান সাহিত্য রচিত হয় নি।
    সাহিত্যকর্মঃধর্মকেন্দ্রিক সাহিত্যকর্মের এই যুগে মূলত দেব-দেবীর প্রাধান্য পরিলক্ষিত হয়েছে,তবে মানুষের কথাও অস্বীকৃত হয় নি।সাহিত্য ছিল প্রধানত পদ্য ও গীতি নির্ভর।গদ্য সাহিত্য তখনও প্রসারিত ও পরিচিতি পায় নি।
    অন্ধকার যুগ পরবর্তী মধ্যযুগের সাহিত্য কর্ম গুলোকে ভাষাবিদেরা দুটি ভাগে ভাগ করেছেন।তা হল__

    ১) মৌলিক সাহিত্যঃমৌলিক সাহিত্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম হচ্ছেঃ-শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন,বৈষ্ণব পদাবলী,মঙ্গল কাব্য।
    ২) অনুবাদ সাহিত্যঃ উ

  • 34. ‘শূন্যপুরাণ’ কে রচনা করেছেন--
  • বাংলা সাহিত্যর অন্ধকার যুগের ১৫০ বছরে কোন সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি হয়নি। এই সময়ে দুইটা সাহিত্যকর্ম মাত্র পাওয়া যায়। সেগুলো হল-- রামাই পণ্ডিতের 'শূন্যপুরাণ' আর হলায়ুধ মিশ্রের 'সেক শুভোদয়া'। 'শূন্যপুরাণ' ধর্মীয় তত্ত্বের গ্রন্থ।

  • 35. বুদ্ধদেব বসু কোন দশকের কবি হিসেবে খ্যাত?  
  • 36. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা ভাষায় চর্চা করতেন?
  • রামরাম বসু (১৭৫৭ - ১৮১৩) বাংলা গদ্যসাহিত্যের আদি লেখকদের একজন। অষ্টাদশ শতাব্দীর ব্যক্তিত্ব। তাঁর জন্ম হুগলি জেলার চুঁচুড়ায়। তিনি বাংলা, সংস্কৃত ও ফার্সি ভাষায় পারদর্শী ছিলেন ; কিছু ইংরেজিও জানতেন। প্রথম দিকে তিনি ভারতে খ্রিস্টধর্ম প্রচারের জন্য আসা মিশনারি পাদ্রীদের বাংলা শেখাতেন। পরে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে তিনি মুন্সি ও সংস্কৃত ভাষার সহকারি শিক্ষকের চাকরি পান। তাঁর রচিত রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত বাঙালির লেখা প্রথম বাংলা মৌলিক গদ্যগ্রন্থ ও ছাপাখানায় মুদ্রিত প্রথম বই। বইটি ১৮০১ সালের জুলাই মাসে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়। এটি ১৮০১ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে প্রকাশিত হয়েছিল। এছাড়া তিনি বাঙালা ভাষায় কয়েকটি খ্রিস্টধর্ম বিষয়ক বই লেখেন, রামায়ণ ও মহাভারত সম্পাদনা করেন ও উইলিয়াম কেরিকে বাইবেল অনুবাদে সহায়তা করেন।

  • 37. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কত সালে প্র্তিষ্ঠিত হয়েছিল?
  • 38. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ মনে করা হয় কাকে?
  • মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার (আনু. ১৭৬২-১৮১৯)  সংস্কৃত পন্ডিত, ভাষাবিদ, লেখক। তৎকালীন ওড়িষা প্রদেশের মেদিনীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। নাটোর-রাজের দরবারে লেখাপড়া শিখে তিনি সংস্কৃত পন্ডিতে পরিণত হন। তিনি উনিশ শতকের প্রথম ভালো বাংলা গদ্য লেখক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। উইলিয়াম কেরীর সুপারিশে তিনি ১৮০১ সালের ৪ মে  ফোর্ট উইলিয়াম কলেজএর বাংলা বিভাগের হেড-পন্ডিত নিযুক্ত হন। পরে ১৮০৫ সালে আবার কেরীর সুপারিশে তিনি বাংলার সঙ্গে সংস্কৃত বিভাগেরও হেড পন্ডিতের দায়িত্ব লাভ করেন। ১৮১৬ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত তিনি এ কলেজে কাজ করেন। পরে কাজ করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির জজ-পন্ডিত হিসেবে। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে থাকার সময়ে তিনি যেসব গ্রন্থ রচনা করেন, সেগুলি: বত্রিশ সিংহাসন (১৮০২), হিতোপদেশ (১৮০৮), রাজাবলী (১৮০৮) এবং প্রবোধচন্দ্রিকা (১৮১৩ সালে লিখিত, কিন্তু ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত)। এছাড়া পরে ১৮১৭ সালে তিনি লেখেন বেদান্তচন্দ্রিকা। এসব গদ্য প্রায় সবই অনুবাদমূলক। তা সত্ত্বেও তাঁর রচনা-রীতির কারণে অনেকটা মৌলিক রূপ লাভ করেছে।

  • 39. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ মনে করা হয় কাকে?
  • মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার (আনু. ১৭৬২-১৮১৯)  সংস্কৃত পন্ডিত, ভাষাবিদ, লেখক। তৎকালীন ওড়িষা প্রদেশের মেদিনীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। নাটোর-রাজের দরবারে লেখাপড়া শিখে তিনি সংস্কৃত পন্ডিতে পরিণত হন। তিনি উনিশ শতকের প্রথম ভালো বাংলা গদ্য লেখক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। উইলিয়াম কেরীর সুপারিশে তিনি ১৮০১ সালের ৪ মে  ফোর্ট উইলিয়াম কলেজএর বাংলা বিভাগের হেড-পন্ডিত নিযুক্ত হন। পরে ১৮০৫ সালে আবার কেরীর সুপারিশে তিনি বাংলার সঙ্গে সংস্কৃত বিভাগেরও হেড পন্ডিতের দায়িত্ব লাভ করেন। ১৮১৬ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত তিনি এ কলেজে কাজ করেন। পরে কাজ করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির জজ-পন্ডিত হিসেবে। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে থাকার সময়ে তিনি যেসব গ্রন্থ রচনা করেন, সেগুলি: বত্রিশ সিংহাসন (১৮০২), হিতোপদেশ (১৮০৮), রাজাবলী (১৮০৮) এবং প্রবোধচন্দ্রিকা (১৮১৩ সালে লিখিত, কিন্তু ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত)। এছাড়া পরে ১৮১৭ সালে তিনি লেখেন বেদান্তচন্দ্রিকা। এসব গদ্য প্রায় সবই অনুবাদমূলক। তা সত্ত্বেও তাঁর রচনা-রীতির কারণে অনেকটা মৌলিক রূপ লাভ করেছে।

  • 40. আমীর হামজা কাব্য রচনা করেন কে?  
  • 41. পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক কে?
  • 42. কোন পর্তুগীজ বাঙ্গালী বিধবাকে বিয়ে করেন এবং বাংলার কবিয়াল হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন?  
  • 43. কোন পর্তুগীজ বাঙ্গালী বিধবাকে বিয়ে করেন এবং বাংলার কবিয়াল হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন?  
  • 44. বাংলা টম্পা গানের জনক কে? 
  • 45. শায়েররা যে সাহিত্য রচনা করেছেন তাকে কি বলে? 
  • শায়েরগণ রচনা করতেন – দোভাষী পুঁথি সাহিত্য। বাংলা, আরবি, ফারসি, উর্দু, ‍তুর্কি ও হিন্দি প্রভৃতি ভাষার সংমিশ্রণে ইতিহাসাশ্রিত কাল্পনিক কাহিনী থেকে বিষয়বস্তু গ্রহণ করে রচিত হতো – দোভাষী পুঁথি বা পুঁথি সাহিত্য। এ সাহিত্য কলকাতার সস্তা প্রেস থেকে ছাপা হতো বলে বটতলার পুঁথি বলা হতো।
    উল্লেখযোগ্য শায়ের – ফকির গরীবুল্লাহ, সৈয়দ হামজা, মোহাম্মদ দানেশ, আবদুর রহিম, মুহম্মদ মুনশী, সাদ আলী প্রমুখ।
    পুঁথি সাহিত্য ধারার প্রথম কাব্য – রায়মঙ্গল। রচয়িতা কবি কৃষ্ণদাস দাস।
    দোভাষী পুঁথি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ও সার্থক কবি – ফকির গরীবুল্লাহ। তার কাব্য ‘জঙ্গনামা’।
    পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম কবি – সৈয়দ হামজা।

  • 46. উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরির রূপকথা সংগ্রহের নাম কি?
  • 47. কোন বিখ্যাত ব্যাক্তিত্ব নাথগীতিকা সংগ্রহ করে নাম দেন 'ক্লাসিক রাজার গান'?  
  • 48. ময়মনসিংহ গীতিকা বিশ্বের কতটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে?
  • 49. বাংলা সাহিত্যের আখ্যানমূলক লোকগীতিকে ইংরেজিতে কি বলা হয়?
  • 50. ময়মনসিংহ গীতিকার প্রথম সংগ্রাহক কে?
  • 51. মৈমনসিংহ গীতিকা মহুয়া পালার রচয়িতা কে?
  • 52. লোক সাহিত্য বলতে কি বোঝায়? 
  • 53. পুঁথি সাহিত্যের ভাষা কেমন? 
  • 54. পুঁথি সাহিত্যের বিকাশ সাধিত হয় কোন শতকে? 
  • 55. মানিক চন্দ্র রাজার গান সম্পাদিত গ্রন্থটি কে সম্পাদন করেন ? 
  • 56. টপ্পা গানের জনক কে?
  • 57. মেয়েলি ব্রতের সাথে কাহিনীকে কি বলে?
  • 58. পশুপাখির চরিত্র অবলম্বনে গড়া কাহিনীকে কি বলে?
  • 59. মনসুর বয়াতির পালা গান কোনটি
  • মনসুর বয়াতি (আনু. ১৮ শতক)  পল্লিকবি, গায়ক। মৈমনসিংহ-গীতিকার ‘দেওয়ানা মদিনা’ পালাটি তিনিই রচনা করেন।  চন্দ্রকুমার দে হবিগঞ্জের বানিয়াচং থেকে পালাটি সংগ্রহ করেন। বানিয়াচং-এর এক দেওয়ান পরিবারের কাহিনী এর উপজীব্য। পালাটি সিলেট ও কুমিল্লা অঞ্চলে ‘অবং দুলাল’ নামে প্রচলিত। আরবি-ফারসি শব্দের ব্যবহার এবং ঘটনার পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনা করে পালাটির রচনাকাল ১৮শ শতকের গোড়ার দিকে বলে অনুমান করা হয়।

  • 60. মৈমনসিংহ গীতিকার অন্তর্গত পালা কোনটি?
  • 61. নাথ গীতিকা গুলো স্যার জর্জ গ্রিয়ার্সন কি নামে প্রকাশ করেন? 
  • 62. বাংলাদেশ থেকে সংগৃহীত লোকগীতিকাগুলোকে কয়টি ভাগে বিভিক্ত করা হয়েছে?
  • 63.    BALLAD  শব্দটি কোন শব্দ থেকে এসেছে? 
  • 64. ভাওয়াইয়া গান প্রথম সংগ্রহ করেন কে?
  • 65. ময়মনসিংহ অঞ্চলে গীত হয় কোন গান?
  • 66. 'শিব' কোন গানের বিষয়বস্তু?
  • 67. 'পটুয়া' সঙ্গীতের বিষয়বস্তু কোনটি?
  • পটুয়া সঙ্গীত এক প্রকার লোকগীতি। পটুয়ারা এ গানের রচয়িতা ও পরিবেশক বলে এর নাম হয়েছে পটুয়া সঙ্গীত। পটুয়ারা পৌরাণিক ও লৌকিক কাহিনী অবলম্বনে বিভিন্ন ধরনের পট তৈরি করে এবং সেসব পটের বিষয় অনুযায়ী গান রচনা করে। এই গানগুলি তারা গৃহস্থদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে পট প্রদর্শনের সময় পরিবেশন করে। গানের সঙ্গে কখনও কখনও নৃত্যও পরিবেশিত হয়। এর মাধ্যমে তারা জীবিকা নির্বাহ করে। 
    পটুয়াদের পট এবং গানের বিষয় বিচিত্র। তার মধ্যে যমলোক, বৌদ্ধ  জাতক, গাজী পীর, রামকাহিনী, কৃষ্ণকাহিনী ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। অনেক সময় সামাজিক কোনো ঘটনা নিয়েও পটুয়া গান রচিত হয়। কৃষ্ণের অবতারবিষয়ক একটি গানে এরূপ একটি সামাজিক ঘটনার বর্ণনা পাওয়া যায়: ‘রাজার পাপে রাজ্য নষ্ট প্রজা কষ্ট পায়/ গিন্নির পাপে গিরস্ত নষ্ট ঘরের লক্ষ্মী উড়ে যায়। মহারাজের দেশে দেখ জল নাইক হ’ল/ রাজার প্রজাগণ কষ্ট পেয়ে পলাইতে লাগিল।’

  • 68. যে গীতির তাল নেই তাকে কি বলে?
  • 69. লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন কোনটি?
  • 70. লোক সাহিত্য সাধারনত কোনো সম্প্রদায়ের বা জনগোষ্ঠীর? 
  • 71. ডাক,খনার বচন ও রূপকথা এগুলো কোন যুগের?
  • 72. মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন- 
  • 73. সুলতানি যুগের সময়কাল কত?
  • 74. ঐতিহাসিক গ্রন্থ আইন ই আকবরি এর রচয়িতা কে?
  • 75. কবি হাফিজকে বাংলাদেশে আমন্ত্রন জানিয়েছিলেন কোন নৃপতি?  
  • 76. কোন কবি হোসেন শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় কাব্য রচনা করেন? 
  • 77. বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য বিখ্যাত শাসক? 
  • 78. মনসামঙ্গল ও মনসা বিজয় কাব্যের কবিগণ কাব্য রচনা করেন কার পৃ্ষ্ঠপোষকতায়?  
  • 79. শাহ মুহাম্মদ সগীর ইউরসুফ জোলেখা রচনা করেন কার শাসনামলে?  
  • 80. আরাকান রাজসভার প্রথম বাঙালি কবি কে? 
  • 81. কোন দুজন আরাকান রাজ্যসভার কবি?
  • 82. মাগন ঠাকুর কে ছিলেন?
  • কোরেশী মাগন ঠাকুর (১৭শ শতক)  মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একজন কবি। চন্দ্রাবতী কাব্যের রচয়িতা কোরেশী মাগন ঠাকুর এবং আরাকানের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দিক বংশজাত মাগন ঠাকুর একই ব্যক্তি ছিলেন এরূপ মনে করে তাঁর জীবনকথা আলোচনা করা হয়। মাগন ঠাকুরের পিতা বড়াই ঠাকুর (শ্রীবড় ঠাকুর) ছিলেন আরাকানের একজন মন্ত্রী। রোসাঙ্গের অধিপতি নরপতিগি (১৬৩৮-৪৫) বৃদ্ধ বয়সে তাঁর একমাত্র কন্যার অভিভাবকত্বের ভার মাগন ঠাকুরের ওপর ন্যস্ত করেন। তাঁর মৃত্যুর পর রাজকন্যা মুখ্য পাটেশ্বরী হলে মাগন ঠাকুর মুখ্যপাত্রের (মুখ্যমন্ত্রীর) পদমর্যাদা লাভ করেন।

  • 83. কার পৃষ্ঠপোষকতায় কবি আলাওল "পদ্মাবতী" কাব্য রচনা করেন?
  • পদ্মাবতী মধ্যযুগের বাঙালি কবি আলাওলের একটি কাব্য। এটিকে আলাওলের শ্রেষ্ঠ কাজ বলে গণ্য করা হয়।

    বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি ঊজ্জ্বল নিদর্শন আলাওলের অনুবাদ কাব্যগ্রন্থ ‘পদ্মাবতী’। মালিক মুহম্মদ জায়সী এর ‘পদুমাবৎ’ কাব্যের অনুবাদ এটি। জায়সী তাঁর কাব্য রচনা করেন ১৫৪০ খ্রিস্টাব্দে। প্রায় ১০০ বছর পর আরাকানের বৌদ্ধ রাজার অমাত্য মাগন ঠাকুরের নির্দেশে আলাওল ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দে পদ্মাবতী রচনা করেন। কবি তখন মাগন ঠাকুরের সভাসদ এবং আশ্রিত।

  • 84. মধ্যযুগের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মুসলমান কবি কে?
  • 85. বাহারাম খানের উপাধি কোনটি?
  • 86. পদ্মাবতী কাব্য কোন কাহিনী অবলম্বন লেখা?
  • পদ্মাবতী মধ্যযুগের বাঙালি কবি আলাওলের একটি কাব্য। এটিকে আলাওলের শ্রেষ্ঠ কাজ বলে গণ্য করা হয়।এটি একটি অনুবাদ কাব্য। প্রাচীন হিন্দি ভাষার মহাকবি মালিক মুহম্মদ জায়সির পদুমাবত কাব্যের অনুবাদ করেন আলাওল। তবে তিনি একে অনেকটা নিজের মতো করে অনুবাদ করায় পদ্মাবতীকে নতুন সৃষ্টি হিসেবে দেখা হয়।সিংহলের রাজকন্যা পদ্মাবতী, চিতোরের রাজা রত্নসেন, দিল্লীর সম্রাট আলাউদ্দিন খিলজি, রাজা দেবপাল - এসকল চরিত্র নিয়ে রচিত কাল্পনিক কাহিনীর কাব্যরূপ পদ্মাবতী।

  • 87. রোমান্টিক প্রনয়োপাখ্যান ধারার কবি 
  • শাহ মুহম্মদ সগীর আনুমানিক ১৪-১৫ শতকের কবি। মুসলিম কবিদের মধ্যে তিনিই প্রাচীনতম। তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে (১৩৮৯-১৪১১ খ্রিস্টাব্দে) ইউসুফ-জোলেখা কাব্য রচনা করেন। কবি ছিলেন গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজকর্মচারী। কাব্যরস পরিবেশন অপেক্ষা ধর্মীয় প্রেরণা সৃষ্টির প্রতিই কবির অধিক আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। সে যুগে দেশি ভাষার রসাশ্রয়ী ধর্মকাহিনী রচনা করার মধ্যে কবির সৎসাহসের পরিচয় মেলে। বাইবেল-কুরআন কিংবা ফিরদৌসী-জামীর অনুসরণে কাহিনী-কাব্যটি কল্পিত হলেও তাতে বাঙলাদেশ ও বাঙালী-জীবনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে। কাব্যটি পঞ্চদশ শতকের প্রথম দশকে রচিত করা হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। তাঁর কাব্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কতিপয় শব্দের ব্যবহার লক্ষ করে ড. মুহম্মদ এনামুল হক তাঁকে চট্টগ্রামের অধিবাসী বলে বিবেচনা করেছেন। তিনি কাব্যচর্চায় সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন। তাঁর কাব্যে ধর্মীয় পটভুমি থাকলেও তা হয়ে উঠেছে মানবিক প্রেমোপাখ্যান। তাঁর কাব্যে শিল্পমূল্য অতুলনীয়।

  • 88. জঙ্গনামা কাব্যের বিষয় কি?
  • 89. প্রাচীনতম বাঙালি মুসলমান কবি কে?
  • শাহ মুহম্মদ সগীর আনুমানিক ১৪-১৫ শতকের কবি। মুসলিম কবিদের মধ্যে তিনিই প্রাচীনতম। তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে (১৩৮৯-১৪১১ খ্রিস্টাব্দে) ইউসুফ-জোলেখা কাব্য রচনা করেন। কবি ছিলেন গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজকর্মচারী। কাব্যরস পরিবেশন অপেক্ষা ধর্মীয় প্রেরণা সৃষ্টির প্রতিই কবির অধিক আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। সে যুগে দেশি ভাষার রসাশ্রয়ী ধর্মকাহিনী রচনা করার মধ্যে কবির সৎসাহসের পরিচয় মেলে। বাইবেল-কুরআন কিংবা ফিরদৌসী-জামীর অনুসরণে কাহিনী-কাব্যটি কল্পিত হলেও তাতে বাঙলাদেশ ও বাঙালী-জীবনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে।  কাব্যটি পঞ্চদশ শতকের প্রথম দশকে রচিত করা হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। তাঁর কাব্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কতিপয় শব্দের ব্যবহার লক্ষ করে ড. মুহম্মদ এনামুল হক তাঁকে চট্টগ্রামের অধিবাসী বলে বিবেচনা করেছেন। তিনি কাব্যচর্চায় সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন। তাঁর কাব্যে ধর্মীয় পটভুমি থাকলেও তা হয়ে উঠেছে মানবিক প্রেমোপাখ্যান। তাঁর কাব্যে শিল্পমূল্য অতুলনীয়

  • 90. সোনাভান কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  • সোনাভান পুঁথির শায়ের ছিলেন ফকির গরীবুল্লাহ। হুগলি জেলার অধিবাসী এই শায়ের সতর শতকের শুরুর দিকে রচনা করেছিলেন তার সোনাভান পুঁথিটি।

  • 91. বড়র পিরীতি বালির বাধ ক্ষণে হাতে দড়ি,ক্ষনেক চাঁদ---- চরণ দুটি কার রচনা?
  • রায়গুনাকর ভারতচন্দ্র আঠারো শতকের বাঙালি কবি। তাঁর জন্ম আনুমানিক ১৭১২ সালে, বর্ধমানের পাণ্ডুয়া গ্রামে। পিতার নাম নরেন্দ্রনারায়ণ রায়। তিনি ছিলেন নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভার সভাকবি। রাজা তাঁকে ‘রায়গুনাকর’ উপাধি প্রদান করেন। তাঁর বিখ্যাত কাব্যের নাম অন্নদামঙ্গল কাব্য। এর তিনটি ভাগ হলঃ ‘অন্নদামঙ্গল’, ‘বিদ্যাসুন্দর’ এবং ‘ভবানন্দ-মানসিংহ কাহিনী’। বাংলা ভাষার বেশকিছু প্রচলিত বাক্য বা প্রবাদ ভারতচন্দ্রের রচনা। যেমনঃ আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে, মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন, নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়

  • 92. বাংলা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান কোন যুগের সৃষ্টি?
  • মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মুসলমান কবিগণের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদান রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান। এই শ্রেণির কাব্য মধ্যযুগের সাহিত্যে বিশিষ্ট স্থান জুড়ে আছে।ফারসি বা হিন্দি সাহিত্যের উৎস  থেকে উপকরণ নিয়ে রচিত প্রণয় কাব্যগুলোতে প্রথমবারের মত মানবীয় বৈশিষ্ট্য প্রতিফলিত হয়েছে।মধ্যযুগের কাব্যের ইতিহাসে ধর্মীয় বিষয়বস্তুর আধিপত্য ছিল,কোথাও কোথাও লৌকিক ও সামাজিক জীবনের ছায়াপাত ঘটলেও দেবদেবীর প্রাধান্যে তাতে মানবীয় অনুভূতির প্রকাশ স্পষ্ট হয়ে উঠেনি।এই শ্রেণির কাব্যে মানব-মানবীর প্রেম কাহিনি রূপায়িত হয়ে গতানুগতিক সাহিত্যের ধারায় ব্যতিক্রমের সৃষ্টি করেছে।মুসলমান কবিগণ হিন্দুধর্মাচারের পরিবেশের বাহিরে থেকে মানবিক কাব্য রচনায় অভিনবত্ব দেখান।

  • 93. নসীরনামা গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  • 94. বিদ্যাসুন্দর কাব্যের কবি কে?
  • বিদ্যাসুন্দর ষোড়শ শতাব্ধীর গোড়ার দিকে কবি সাবিরিদ খান রচিত একটি রোমান্টিক প্রণয়কাব্য। বিদ্যাসুন্দর কাব্যের কাহিনী কালিকামঙ্গলের অন্তর্গত এবং রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র সহ অনেক কবি একই কাহিনী ভিত্তিক কাব্যের রূপ দিয়েছেন। সাবিরিদ খানের কাব্যের কাহিনীর সাথে দেবী কালিকার বিশেষ কোন সম্পর্ক নেই। কাব্যরস সৃষ্টি ব্যাতীত এর অন্য কোন উদ্দেশ্য ছিল না। কবি রোমান্স হিসেবেই কাব্যটি রচনা করেছিলেন। কবি তার কাব্য কে নাটগীত বলে উল্লেখ করেছেন।

  • 95. গুলে বকাওলী কাব্যখানীর রচয়িতা কে?
  • গুলে বকাওলী  মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়কাব্যের একটি ধারা। সতেরো শতকের কবি  নওয়াজিস খান প্রথম গুলে বকাওলী  কাব্য রচনা করেন। রাজপুত্র তাজুলমুলকের সঙ্গে পরীকন্যা বকাওলীর প্রেম নিয়ে এর আখ্যান নির্মিত। কাহিনীতে দুঃসাহসিক অভিযাত্রাসহ নানা অলৌকিক ঘটনা আছে। মধ্য ভারত এ কাহিনীর উৎসভূমি। সেখানে ‘বকাওলী’ নামে এক প্রকার ফুল পাওয়া যায়।

  • 96. 'জয়নালের চৌতিশা' গ্রন্থটির লেখক কে?
  • ‘জয়নাবের চৌতিশা’-র বিষয় মহরম- এর মর্মান্তিক ঘটনা।

  • 97. কাশিমের লড়াই গ্রন্থটির রচয়িতা
  • 98. 'সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্য কোন কাব্য অবলম্বনে রচিত?
  • 99. বাংলা সাহিত্যে রোসাং বা রোসাঙ্গ বলা হয়েছে?
  • 100. ইউসুফ-জুলেখা কাব্যে কোন ধর্মগ্রন্থের নৈতিক উপাখ্যান বিধৃ্ত হয়েছে?
  • 101. বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি কে?
  • 102. সর্বপ্রথম বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের আবির্ভাব ঘটে কোন যুগে?
  • 103. কাশীরাম দাস কোন শতকে মহাভারত অনুবাদ করেন?
  • 104. ছুটিখানী মহাভারতের রচয়িতা কে?
  • 105. বাংলা অনুবাদ কাব্যের সূচনা কোন যুগে হয়?
  • 106. 'হেক্টরবধ' কোন উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত?
  • 107. 'তাপসমালা' কার রচিত?
  • তাপসমালা (১৮৮০–১৮৯৬) ফার্সি কবি শেখ ফরিদ-উদ্-দ্বীন আত্তার রচিত 

  • 108. 'শাহনামা' বাংলায় অনুবাদ করেন?
  • মোজাম্মেল হক একজন ভিন্নধর্মী কবি ও লেখক হিসেবে বিবেচিত হন। তিনি গদ্য ও পদ্য দুই ধারাতেই অবদান রেখেছেন। মুসলিম রেনেসার ধারণা তার কবিতায় প্রভাব ফেলেছে। জীবনীভিত্তিক গদ্য ও উপন্যাস রচনায় তিনি পারদর্শী ছিলেন। ১৯০৯ সালে তিনি ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় শাহনামা অনুবাদ করেন। ১৯১৭ সালে তিনি জনপ্রিয় উপন্যাস জোহরা রচনা করেন। বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকাতে তিনি সেক্রেটারি ছিলেন। এই পত্রিকায় কাজি নজরুল ইসলামের অনেক লেখা প্রকাশিত হয়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য স্যার আশুতোষ মুখার্জী‌কে তার বেশ লেখা প্রভাবিত করে এবং তিনি ১৯১৯ সালে তাকে মেট্রিকুলেশন পরীক্ষার বাংলা ভাষার পরীক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন। 

  • 109. কোন কবির মাধ্যমে অনুবাদ সাহিত্যের জয়যাত্রা শুরু করে?
  • কৃত্তিবাস ওঝা (জন্মঃ আনুমানিক ১৩৮১ বঙ্গাব্দ - মৃত্যুঃ আনুমানিক ১৪৬১ বঙ্গাব্দ) ছিলেন মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একজন প্রধান কবি। তিনি অধুনা পশ্চিমবঙ্গেরনদিয়া জেলার অন্তর্গত ফুলিয়া গ্রামে বাস করতেন। গৌড়েশ্বরের আদেশে তিনি বাল্মীকি রামায়ণের সহজবোধ্য বাংলা পদ্যানুবাদ করেছিলেন। তাঁর অনূদিত রামায়ণকৃত্তিবাসী রামায়ণ নামে পরিচিত। কৃত্তিবাসী রামায়ণ-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এটি মূল রামায়ণের আক্ষরিক অনুবাদ নয়। কৃত্তিবাস রামায়ণ-বহির্ভূত অনেক গল্প এই অনুবাদে গ্রহণ করেছিলেন। তদুপরি বাংলার সামাজিক রীতিনীতি ও লৌকিক জীবনের নানা অনুষঙ্গের প্রবেশ ঘটিয়ে তিনি সংস্কৃত রামায়ণ উপাখ্যানের বঙ্গীকরণ করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, এই কাব্যে "প্রাচীন বাঙালি সমাজই আপনাকে ব্যক্ত করিয়াছে।" বাঙালি সমাজে এই বইটি ব্যাপক জনপ্রিয়। কয়েক শতাব্দী ধরে বইটি বাংলা ঘরে ঘরে পঠিত। বাঙালি সমাজে এই বইটি ব্যাপক জনপ্রিয়। কয়েক শতাব্দী ধরে বইটি বাংলা ঘরে ঘরে পঠিত। ১৮০২ সালে উইলিয়াম কেরির প্রচেষ্টায় শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকেকৃত্তিবাসী রামায়ণ প্রথম মুদ্রিত হয়।

  • 110. বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের ইংরেজি অনুবাদক কি?
  • 111. রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদক কে?
  • 112. লালসালু উপন্যাস কোন ভাষায় অনূদিত হয়?
  • 113. গিরিশচন্দ্র  সেন কত সালে কুরআন শরীফের পূর্ণাঙ্গ বঙ্গানুবাদ সমাপ্ত করেন?
  • 114. 'Song offerings' কোন কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ?
  • 115. শেক্সপিয়রের 'Comedy of Errors' গ্রন্থের গদ্যানুবাদ কোনটি?
  • 116. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেতালপঞ্চবিংশতি কোন গ্রন্থের অনুবাদ?
  • 117. কবি আলাওলের তোহফা কাব্যটি কন কাব্যের অনুবাদ?
  • 118. মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় অনুবাদ গ্রন্থ কোনটি?
  • 119. মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় অনুবাদ গ্রন্থ কোনটি?
  • 120. ভগবতের প্রথম বাংলা অনুবাদক কে?
  • 121. মহাভারতে মোট কয়টি পর্ব আছে?
  • 122. মহাভারতের প্রাচীনতম অনুবাদক কে?
  • 123. কবীন্দ্র পরমেশ্বর অনূদিত মহাভারতের নাম কি?
  • 124. আনুমানিক কোন শতাব্দীতে বাল্মীকি রামায়ণ রচনা করেন?
  • 125. রামায়ণে কতটি শ্লোক প্রথিত আছে?
  • 126. কার উদ্যোগে সর্বপ্রথম রামায়ণ মুদ্রিত হয়?
  • 127. কোন গ্রন্থের কাহিনী প্রাচীন?
  • 128. মহাভারতের স্বার্থক অনুবাদক কে?
  • 129. মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য মূলত-
  • 130. কোন গ্রন্থ অনুবাদ করার জন্য রুকনুদ্দিন বরবক শাহ মালাধর বসুকে গুনরাজ খান উপাধি দেন?
  • 131. মূল রামায়ণ কোন ভাষায় রচিত?
  • 132. চন্ডীচরণ মুনশীর 'তোতো ইতিহাস" কোন ভাষা থেকে অনূদিত?
  • 133. কালিদাসের 'মেঘদূত' কাব্যের বঙ্গানুবাদ করেন কোন লেখক?
  • 134. ময়নামতি গোপীচন্দ্রের কাহিনী কে সংগ্রহ করেন?
  • 135. গোরক্ষ বিজয় কাব্য সম্পাদনা করেন?
  • 136. শুকুর মুহম্মদ রচিত কাব্যের নাম
  • 137. শেখ ফয়েজুল্লাহ রচিত কয়টি কাব্যের সন্ধান পাওয়া  গেছে?
  • 138. ভীম সেনের গোর্খবিজয় কাব্যটি সম্পাদনা করেন কে?
  • 139. কোন দুটি ধর্মের মিশ্রনে নাথ ধর্মের উৎপত্তি?
  • 140. গোরক্ষ বিজয় কে রচনা করেন?
  • 141. কত সালে সৈয়দ হামজা শাহ গরীবুল্লাহ অসমাপ্ত পুঁথি জঙ্গনামা সমাপ্ত করেন?
  • 142. মালাধর বসুকে গুনরাজ খান উপাধি প্রদান করেন কে?
  • 143. জঙ্গনামা কাব্যটির রচয়িতা কে?
  • 144. শ্রী চৈতন্যের প্রথম জীবনী লেখক কে?
  • 145. 'বৃন্দাবনের ষড় গোস্বামী' কি?
  • 146. নিচের কোন গ্রন্থটি সংস্কৃত ভাষায় জীবনী মহাকাব্য নামে খ্যাত?
  • 147. চৈতন্যদেব আদর করে কার নাম দেন কবিকর্নপুর?
  • 148. কোন কাব্যটির প্রকাশক ড.সুকুমার সেন?
  • 149. কড়চা অর্থ কি?
  •  ''কড়চা'' অর্থ চৈতন্য জীবনী গ্রন্থ।

  • 150. আকরাম খাঁ রচিত 'মোস্তফা চরিত' গ্রন্থটি
  • 151. নবীবংশ পুস্তকটি কে রচনা করেন?
  • 152. চৈতন্যদেবের জীবনীভিত্তিক প্রথম কাহিনীকাব্য রচনা করেন?
  • চৈতন্যদেবের জীবনীভিত্তিক প্রথম কাহিনীকাব্য রচনা করেন বৃন্দাবন দাস।

  • 153. চৈতন্যদেবের  পর কার জীবনীকে কেন্দ্র করে জীবনী সাহিত্য রচিত হয়?
  • 154. শ্রী চৈতন্যদেব কোথায় জন্মগ্রহন করেন?
  • শ্রী চৈতন্যদেব নবদ্বীপে জন্মগ্রহন করেন ১৪৮৬ সালে, আর ৪৮ বছর বয়সে ১৫৩৩ সালে তিনি পুরীতে মারা যান।

  • 155. কবি জয়ানন্দ কোন জীবনী কাব্যটি লিখেছেন?
  • কবি জয়ানন্দ চৈতন্যমঙ্গল কাব্যটি লিখেছেন। শ্রী চৈতন্যভাগবত প্রথমে চৈতন্যমঙ্গল নামে পরিচিত ছিল।

  • 156. বাংলাসাহিত্যের প্রথম জীবনী কাব্য কোনটি?
  • বাংলাসাহিত্যের প্রথম জীবনীগ্রন্থ/জীবনী কাব্য বৃন্দাবনদাসের ''শ্রীচৈতন্যভাগবত''.বাংলা ভাষার প্রথম জীবনী সাহিত্য ''চৈতন্য জীবনী কাব্য।

  • 157. বৈষ্ণবকীর্তন গানের শাখা কোনটি?
  • মান্দারী,ঝাড়খন্ডী , রেনেটি এগুলো সব বৈষ্ণবকীর্তন গানের শাখা। এছাড়া আরও দুটি শাখা হল--গড়ের হাঢী (গরা হাঢী) ও মনোহরশাহী ।

  • 158. মুরারীগুপ্তের কাব্যের প্রকৃত নাম কি?
  • মুরারীগুপ্তের কাব্যের প্রকৃত নাম শ্রী শ্রী চৈতন্য-চরিতামৃতম। এ গ্রন্থটি ''মুরারীগুপ্তের কড়চা'' নামেও পরিচিত।

  • 159. বাংলাসাহিত্যের প্রথম জীবনী সাহিত্য কোনটি?
  • বাংলাসাহিত্যের প্রথম জীবনীগ্রন্থ বৃন্দাবনদাসের ''শ্রীচৈতন্যভাগবত''। বাংলা ভাষার প্রথম জীবনী সাহিত্য ''চৈতন্য জীবনী কাব্য।

  • 160. নিমাই কার বাল্যকালের নাম?
  • চৈতন্যদেবের বাল্যনাম 'নিমাই', যৌবনে 'গোরা' ও সন্ন্যাস গ্রহণের পর তার নাম হয় 'শ্রী চৈতন্যদেব'।

  • 161. শ্রী চৈতন্যদেবের জন্মসাল কোনটি?
  • শ্রী চৈতন্যদেবের জন্ম ১৪৮৬ সালে। শ্রী চৈতন্যদেবের মৃত্যু ১৫৩৩ সালে।

  • 162. মঙ্গলকাব্য কোন যুগের রচনা?
  • মঙ্গলকাব্য মধ্যযুগের রচনা ।

  • 163. অন্নদামঙ্গল কাব্য কার রচনা?
  • 164. চন্ডীমঙ্গল কাব্য কার রচনা? 
  • 165. মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন----উক্তি্টি কার? 
  • 166. কবি ভারতচন্দ্রকে 'রায়গুনাকর' উপাধি দেন কে?
  • 167. ধর্মমঙ্গল কাব্যধারার প্রথম কবি কে? 
  • 168. মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি কে? 
  • 169. মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি কে?
  • 170. 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' সন্তানের জন্য এ প্রার্থনা কে  করেছে?
  • 171. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী কোন ধারার কবি?
  • 172. মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি কে?
  • 173. 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে'--বাংলা সাহিত্যের কোন কাব্যে বাঙ্গলীর এ প্রার্থণা ধ্বনিত হয়েছে? 
  • 174. বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারায় সবচেয়ে প্রাচীনতম ধারা  কোনটি?
  • 175. চন্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র কোনটি?
  • 176. চন্ডীমঙ্গল কাব্য ধারার প্রথম কবি কে?
  • 177. ড.সুকুমার সেনের মতে কতজন কবি চন্ডীমঙ্গল কাব্য রচনা করেছেন?
  • 178. চন্ডীমঙ্গল কাব্যের কাহিনী কয় খন্ডে বিভক্ত?
  • 179. দ্বিজ বংশীদাস মনসামঙ্গল কাব্য রচনার সময় ভনিতায় কোন নাম ব্যবহার করেছেন?
  • 180. বিপ্রদাস পিপিলাই রচিত মনসা বিজয় কাব্যে কয়টি পালা পাওয়া  গেছে?
  • 181. বাংলা সাহিত্যে সন তারিখযুক্ত মনসামঙ্গল কাব্যের প্রথম রচয়িতা কে? 
  • বাংলা সাহিত্যে সন তারিখযুক্ত মনসামঙ্গল কাব্যের প্রথম রচয়িতা বিজয়গুপ্ত ।

  • 182. ড.দীনেশ্চন্দ্র সেন কতজন মনসা কবির কথা বলেছেন? 
  • 183. মনসামঙ্গলের কাহিনী নেয়া--
  • 184. সাপের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মনসার অপর নাম কি? 
  • সাপের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মনসার অপর নাম-- কেতকা ও পদ্মাবতী।

  • 185. মঙ্গলকাব্যে প্রধানত কোন ছন্দ ব্যবহৃত হয়েছে?
  • 186. কোনটি লৌকিক মঙ্গল কাব্য? 
  • মনসামঙ্গল,চন্ডীমঙ্গল,সারদামঙ্গল--- এগুলো সব লৌকিক মঙ্গল কাব্য।

  • 187. কোনটি পৌরাণিক মঙ্গল কাব্য?
  • মঙ্গলকাব্য  মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের এক বিশেষ ধারা। দেবমাহাত্ম্যমূলক সমাজচিত্রভিত্তিক এ কাব্যই বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও নিজস্ব কাহিনীকাব্য। এ কাব্য পাঠ বা শ্রবণ করলে সকল প্রকার অকল্যাণ নাশ ও সর্ববিধ মঙ্গল লাভ হয় এরূপ ধারণা থেকেই এর নাম হয়েছে মঙ্গলকাব্য। মঙ্গলকাব্য পালা হিসেবে গীত হতো, তবে এতে সুর অপেক্ষা কাহিনীই বেশি প্রাধান্য পেত।
    প্রতিটি মঙ্গলকাব্যে একেকজন দেবতার মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে। মঙ্গলকাব্যের প্রধান দেবতারা হচ্ছেন মনসা,  চন্ডী ও  ধর্মঠাকুর। এঁদের মধ্যে  মনসা ও চন্ডী এই দুই স্ত্রীদেবতার প্রাধান্য বেশি। এই তিনজনকে কেন্দ্র করে মঙ্গলকাব্যের প্রধান তিনটি ধারা গড়ে উঠেছে মনসামঙ্গল, চন্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল। কালক্রমে শিবঠাকুরও মঙ্গলকাব্যের বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন এবং তৎকেন্দ্রিক কাব্যধারার নাম শিবায়ন বা শিবমঙ্গল।
    মঙ্গলকাব্যের চারটি সাধারণ লক্ষণ আছে, যাকে কেন্দ্র করে এর বিষয়বস্ত্ত চারটি অংশে বিভক্ত। প্রথম অংশ বন্দনা। দ্বিতীয় অংশে থাকে কবির আত্মপরিচয় এবং গ্রন্থ রচনার কারণ স্বপ্নাদেশ বা দৈবনির্দেশের বর্ণনা। তৃতীয় অংশ দেবখন্ড। চতুর্থ অংশ নরখন্ড ও আখ্যায়িকা। 

  • 188. প্রকৃতপক্ষে মঙ্গলকাব্যকে কয় শ্রেনীতে ভাগ করা যায়?
  • প্রকৃতপক্ষে মঙ্গলকাব্যকে ২ শ্রেনীতে ভাগ করা যায়। যথা-- পৌরাণিক ও লৌকিক।

  • 189. কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম কার অনুরোধে চন্ডীমঙ্গল কাব্য রচনা করেন? 
  • জমিদার রঘুনাথ রায়ের অনুরোধে কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম চন্ডীমঙ্গল কাব্য রচনা করেন। জমিদার রঘুনাথ রায় কবিকে ''কবিকঙ্কন'' উপাধি দেন।

  • 190. ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর নবদ্বীপে্র রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে কোন গ্রন্থ রচনা  করেন?
  • নবদ্বীপে্র রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর ''অন্নদামঙ্গল'' গ্রন্থ রচনা করেন। এই কাব্য রচনার পর মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র ভারতচন্দ্রকে ''রায়গুনাকর'' উপাধি দেন।

  • 191. ভবানন্দ মজুমদার এর পুর্বনাম কি ছিল? 
  • 192. বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাগরিক কবি কে?
  • ভারতচন্দ্র মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ এবং শেষ কবি। এ কবি ছিলেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ভাররচন্দ্রকে উপাধি দিয়েছিলেন ''রায়গুনাকার''। ভারতচন্দ্র রায়গুনাকার ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাগরিক কবি।

  • 193. সমস্ত ধর্মমঙ্গল কাব্য কয়টি কাহিনী নিয়ে রচিত? 
  • 194. দ্বিজ বংশীদাসের জন্ম কোথায়? 
  • দ্বিজ বংশীদাস (১৬শ-১৭শ শতক)  মধ্যযুগের বাংলা  মনসামঙ্গল কাব্যধারার অন্যতম কবি। তিনি কিশোরগঞ্জের (ময়মনসিংহ) পাতুয়ারী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা যাদবানন্দ ছিলেন একজন গায়েন এবং কন্যা  চন্দ্রাবতী ছিলেন কবি। চন্দ্রাবতী  রামায়ণ রচনা করেন। বংশীদাস  সংস্কৃত,  পুরাণ, আগম ও তন্ত্রাদি শাস্ত্রে পন্ডিত ছিলেন। সুকণ্ঠ গায়ক হিসেবেও তিনি প্রসিদ্ধি লাভ করেন।

  • 195. বাইশা কি? 
  • মনসামঙ্গল কাব্যের বাইশজন ছোট-বড় কবিকে একত্রে বাইশা বলে।

  • 196. চন্ডীমঙ্গলের আদি কবি কে? 
  • চন্ডীমঙ্গলের আদি কবি মানিক দত্ত। চন্ডীমঙ্গলের শ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী।

  • 197. মনসাবিজয় কাব্যের রচয়িতা কে? 
  • 198. মনসামঙ্গলের আদি কবি কে?  
  • মনসামঙ্গলের আদি কবি কানাহরি দত্ত। অন্যান্য কবিরা হলেন-- কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ, বিপ্রদাস পিপিলাই, নারায়ণ দেব প্রমুখ।

  • 199. মনসামঙ্গলের কবি কে?  
  • 200. মঙ্গলকাব্য সৃষ্টির উদ্দেশ্য কি ছিল? 
  • মঙ্গলকাব্য হচ্ছে মধ্য যুগের উপন্যাস। দেবতাদের কাছে মঙ্গল কামনা করে এ কাব্যগুলো রচিত হয়েছে বলে এগুলোর নাম মঙ্গলকাব্য। বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করার উদ্দেশ্য মঙ্গলকাব্য সৃষ্টি।

  • 201. বাংলার বৈষ্ণব ভাবাপন্ন মুসলমান কবি গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  • 202. গোবিন্দ দাস কতগুলো পদ রচনা করেছেন?
  • 203. সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই----কার রচনা?
  • 204. "এ ভরা বাদর মাহ ভাদর শূন্য মন্দির মোর"---কে লিখেছেন?
  • 205. কীর্তিলতা গ্রন্থটিির রচয়িতা কে?
  • 206. বাংলা এবং মৈথিলী ভাষার সমন্বয়ে যে ভাষার সৃষ্টি হয়েছে তার নাম কি?
  •  ব্রজবুলি ভাষা মূলত মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রণে এক মধুর সাহিত্যিক ভাষা।

  • 207. সই,কেমনে ধরিব হিয়া আমারি বধুয়া আন বাড়ি যায় আমরি আঙ্গিনা দিয়া-কার রচনা?
  • 208. সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু অনলে পুড়িয়া গেল-পদটির রচয়িতা কে?
  • 209. বৈষ্ণব পদাবলীর অবাঙালি কে?
  • 210. কোন কবি বাঙালি না হয়েও বাংলা সাহিত্য স্বতন্ত্র স্থান দখল করে আছেন?
  • 211. বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচয়িতা কে?
  • 212. গীতগোবিন্দ কোন ভাষায় রচিত?
  • 213. শুনহে  মানুষ ভাই সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।। এর রচয়িতা কে?
  • মধ্যযুগীয় বাংলাকাব্য শ্রীকৃষ্ণকীর্তন -এর রচয়িতা, চতুর্দশ শতকের কবি বড়ু চণ্ডীদাস বললেন- শুনহে মানুষ ভাই, সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই ।

  • 214. পুঁথি সাহিত্য বলতে বুঝি-
  • অষ্টাদশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে আরবি-ফারসি শব্দমিশ্রিত একধরনের বিশেষ ভাষারীতিতে যেসব কাব্য রচিত হয়েছিল, বাংলা সাহিত্য তা 'পুঁথিসাহিত্যে' নামে পরিচিত। পুঁথি সাহিত্য ইসলামী চেতনা সম্পৃক্ত ছিল।

  • 215. "অভিনব জয়দেব" কোন কবি?
  • বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলার রাজসভার কবি। রাজা শিবসিংহ তাকে 'কবিকন্ঠহার' উপাধিতে ভূষিত করেন। বিদ্যাপতিকে "অভিনব জয়দেব" ও ''মিথিলার কোকিল'' বলেও আখ্যা দেয়া হয়।

  • 216. রবীন্দ্রনাথ কার কাব্যকে "রাজকন্ঠের মণিমালা" বলে অভিহিত করেছেন?
  • বিদ্যাপতির কাব্যকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর "রাজকন্ঠের মণিমালা" বলে অভিহিত করেছেন।

  • 217. কোন মুসলমান কবি বৈষ্ণব পদ রচনা করেন?
  • 218. বৈষ্ণব সাহিত্য কোনটির উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত?
  • 219. বিদ্যাপতি কোন ভাষার পদ রচনা করেন?
  • বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষায় তার পদাবলী রচনা করেছেন। ব্রজবুলি ভাষা মূলত মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রণে এক মধুর সাহিত্যিক ভাষা।

  • 220. কোন কবি বাঙালি না হয়ে ও বাংলা সাহিত্য  স্বত্যন্ত্র স্থান দখল করে আছেন?
  • বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলার রাজসভার কবি। রাজা শিবসিংহ তাকে 'কবিকন্ঠহার' উপাধিতে ভূষিত করেন। তিনি বাঙালি না হয়ে ও বাংলা সাহিত্য কোন রচনা না করেও স্বত্যন্ত্র স্থান দখল করে আছেন।

  • 221. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি সম্পাদিত হয়-
  • বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদল্লভ এর সম্পাদনায় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে সম্পাদিত হয়।

  • 222. পুঁথিসাহিত্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি কে?
  • অষ্টাদশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে আরবি-ফারসি শব্দমিশ্রিত একধরনের বিশেষ ভাষারীতিতে যেসব কাব্য রচিত হয়েছিল বাংলা সাহিত্য তা 'পুঁথিসাহিত্যে' নামে পরিচিত।পুঁথিসাহিত্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি ফকির গরীবুল্লাহ।

  • 223. নিচের কোনটি পুঁথিসাহিত্য?
  • 224. 'বাসলী(বাশু্লী) চরণে চন্ডীদাস এই গান গাইলেন' এখানে বাসলী কে?
  • 225. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন এর কাহিনী কটি চরিত্রকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে?
  • 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যর প্রধান তিনটি চরিত্র হল-- কৃষ্ণ, রাধা ও বড়ায়ি। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন এর কাহিনী এই ৩টি চরিত্রকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে।

  • 226. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য কত সালে আবিস্কৃত হয়?
  • বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদল্লভ ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে পশিচমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামের এক গৃহস্থ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে কাব্যটি উদ্ধার/আবিষ্কার করেন।

  • 227. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য সম্পাদনা করেন?
  • বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদল্লভ ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে পশিচমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামের এক গৃহস্থ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে কাব্যটি উদ্ধার করেন। তারই সম্পাদনায় গ্রন্থটি ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়।

  • 228. মধ্যযুগের আদি নিদর্শন কোনটি?
  • মধ্যযুগের আদি নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন । প্রাচীন যুগের আদি নিদর্শন চর্যাপদ।

  • 229. বাংলা ভাষার রচিত দ্বিতীয় গ্রন্থ  শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য কত খন্ডে রচিত?
  • বাংলা ভাষার রচিত দ্বিতীয় গ্রন্থ এবং মধ্যযুগের প্রথম গ্রন্থ  'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য তের খন্ডে রচিত।

  • 230. মধ্যযুগের প্রথম কবি কে?
  • মধ্যযুগের প্রথম কাব্য 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' । আর এই কাব্যর রচয়িতা বড়ুচন্ডী দাস। সুতরাং মধ্যযুগের প্রথম কবি বড়ুচন্ডী দাস।

  • 231. শ্রীচৈতন্যদেব কোন ধর্ম প্রচার করেন?
  • মধ্যযুগের সাহিত্য শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনকাল অনুযায়ী তিন ভাগে ভাগ করা হয়। শ্রীচৈতন্যদেব ১৪৮৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার ভক্ত-শিষ্যরা তার জীবিতবস্তায়েই তার জীবন কাহিনী নিয়ে কাব্য রচনা করেন। শ্রীচৈতন্যদেব বৈষ্ণবধর্ম প্রচার করেন।

  • 232. নিচের কোনটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের চরিত্র নয়?
  • শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যর প্রধান তিনটি চরিত্র হল-- কৃষ্ণ, রাধা ও বড়ায়ি। ঈশ্বরী পাটনী হল ভারতচন্দ্র রায়গুনাকার রচিত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যর একটি বিখ্যাত চরিত্র।

  • 233. বসন্ত রায়ের উপাধি কি ছিল?
  • 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যর প্রকাশক বসন্তরঞ্জন রায়ের উপাধি বিদ্বদ্বল্লভ।

  • 234. কৃষ্ণভক্তি তত্ত্বরূপ লাভ করেছিল কোন যুগে?
  • 235.  আকুল শরীর মোর বেআকুল মন! বাঁশীর শবদেঁ মোর আউলাইলোঁ রান্ধন।-কোন কবির রচনা?
  • 236. বাংলা সাহিত্যে রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক প্রথম কাহিনী কাব্য কোনটি?
  • বাংলা সাহিত্যে রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক প্রথম কাহিনী কাব্য শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যর প্রধান তিনটি চরিত্র হল-- কৃষ্ণ, রাধা ও বড়ায়ি। 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যর রচয়িতা বড়ু চন্ডীদাস।

  • 237. কত বঙ্গাব্দে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য প্রকাশিত হয়?
  • বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় ১৯১৬ সালে (১৩২৩) বঙ্গাব্দে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য প্রকাশিত হয়।

  • 238. বড়ু চন্ডীদাসের জন্মস্থান কোনটি?
  • 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যর রচয়িতা বড়ু চন্ডীদাসের জন্মস্থান বীরভূম জেলার নানুর গ্রাম।

  • 239. জয়দেবের 'গীত গোবিন্দ' রচিত হয় কোন শাসনের সময়?
  • 240. কোন যুগকে প্রাক চৈতন্য যুগ হিসেবে অভিহিত করা হয়?
  • ((১ প্রাক চৈতন্য যুগ(২))চৈতন্য যুগ৩)) উত্তর- চৈতন্য যুগ।প্রাক চৈতন্য যুগ--- চতুর্দশ-পঞ্চদশ  শতাব্দী পর্যন্ত বিস্তৃত।

     

  • 241. চম্পুকাব্য কি?
  • চম্পুকাব্য হল গদ্যপদ্য মিশ্রিতকাব্য। রামাই পণ্ডিতের 'শূন্যপুরাণ' আর হলায়ুধ মিশ্রের 'সেক শুভোদয়া' চম্পুকাব্য।

  • 242. হলায়ুদ মিশ্র রচিত 'সেক শুভোদয়া' কোন ভাষায় রচিত?
  • বাংলা সাহিত্যর অন্ধকার যুগের ১৫০ বছরে কোন সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি হয়নি। এই সময়ে দুইটা সাহিত্যকর্ম মাত্র পাওয়া যায়। সেগুলো হল-- রামাই পণ্ডিতের 'শূন্যপুরাণ' আর হলায়ুধ মিশ্রের 'সেক শুভোদয়া'। হলায়ুদ মিশ্র রচিত 'সেক শুভোদয়া' সংস্কৃত ভাষায় রচিত।

  • 243. শূন্যপুরাণ একটি--
  • বাংলা সাহিত্যর অন্ধকার যুগের ১৫০ বছরে কোন সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি হয়নি। এই সময়ে দুইটা সাহিত্যকর্ম মাত্র পাওয়া যায়। সেগুলো হল-- রামাই পণ্ডিতের 'শূন্যপুরাণ' আর হলায়ুধ মিশ্রের 'সেক শুভোদয়া'। 'শূন্যপুরাণ' ধর্মীয় তত্ত্বের গ্রন্থ।

  • 244. অন্ধকার যুগ কোনটি?
  • বাংলা ভাষার মধ্য যুগের পরিধি ১২০১---১৮০০ সাল পর্যন্তু। কিন্তু এর মধ্য ১২০১-১৩৫০ পর্যন্ত সময়কে বাংলা সাহিত্যর  'অন্ধকার যুগ' বলা হয়।

  • 245. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অন্ধকার যুগ কোন যুগের অন্তর্ভূক্ত?
  •  মধ্য যুগের বাংলা ভাষার পরিধি ১২০১---১৮০০ সাল পর্যন্তু। কিন্তু এর মধ্য ১২০১-১৩৫০ পর্যন্ত সময়কে বাংলা সাহিত্যর  'অন্ধকার যুগ' বলা হয়। সুতরাং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অন্ধকার যুগ মধ্যযুগের অন্তর্ভূক্ত।

  • 246. কবিওয়ালা ও শায়েরের উদ্ভব ঘটে কখন?
  • ১৭৫৭ সালে স্বাধীনতা হারানোর পর, সমাজে দেখা দেয় নতুন ধনিক শ্রেণী। তাদের জন্য দরকার হয় হালকা, নিম্নরুচির সাহিত্য। এ সাহিত্য সরবরাহ করেন একশ্রেণীর কবি। তাদের বলা হয় 'কবিওয়ালা', তাদের মধ্য যারা ছিলেন মুসলমান তাদের 'শায়ের' ও বলা হয়। কবিওয়ালা ও শায়েরের উদ্ভব ঘটে আঠারো শতকের শেষার্ধে ও ঊনিশ শতকের প্রথমার্ধে।

  • 247. বাংলা ভাষার মধ্যযুগ-
  • বাংলা ভাষার যুগ প্রধানত ৩ ভাগে বিভক্ত। ১. আদিযুগ (৬৫০-১২০০ খ্রী:)২. মধ্যযুগ (১২০১-১৮০০ খ্রী:)৩. আধুনিক যুগ (১৮০১ খ্রী: -বর্তমান)

  • 248. বটতলার পুঁথি বলতে বুঝায়-  
  • দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্যকে বটতলার পুঁথি বলা হত, কারণ এগুলো কলকাতার সস্তা প্রেস থেকে বের হতো।

  • 249. গঠনরীতিতে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্য মূলত-
  • 250. দৌলত উজির বাহরাম খান কোন অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন?

today's words

Features

  • বিসিএস, ব্যাংক, শিক্ষক নিবন্ধন, পিএসসিসহ সব ধরনের MCQ প্রশ্ন এবং সমাধান,
  • অধ্যায় অনুযায়ী অনুশীলন,
  • ইংরেজি এবং গণিত এর জন্য সহজ কৌশল,
  • অসংখ্য মডেল পরীক্ষা,
  • পরীক্ষার পর্যালোচনা,
  • সাম্প্রতিক বিষয় নিয়মিত আপডেট,
  • প্রতিদিন পাঁচটি করে vocabulary (Meaning, Synonyms, Antonyms, Example সহ )।
1527

Students

74388

Questions

150

Model Test